লোডশেডিংয়ে ব্যবহার বেড়েছে হাতপাখার

প্রকাশিত: ০৯-০৯-২০২২ ০৮:১৬

আপডেট: ০৯-০৯-২০২২ ০৮:১৬

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: প্রচন্ড গরম আর বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিংয়ে হাত পাখার ব্যবহার বেড়েছে। তাই গাইবান্ধার হাতপাখার গ্রাম নামে পরিচিত খামারপাড়ার প্রতিটা বাড়িতে এখন ব্যস্ততা। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির নারী-পুরুষ মিলে বানাচ্ছেন পাখা। মানসম্পন্ন পাখা তৈরির জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চেয়েছেন তারা।  

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়ে হাতপাখা তৈরির দৃশ্য। বাড়ির উঠানে বসে কেউ সুতা গোছাচ্ছেন, কেউ করছেন বাঁশ কাটার কাজ, আবার কেউ করছেন বুননের কাজ। এভাবেই তৈরি হচ্ছে নানা রঙের আকর্ষণীয় সব হাতপাখা। দীর্ঘদিন ধরে পাখা তৈরি ও বিক্রির কারণে মানুষের কাছে এই গ্রাম হাতপাখার গ্রাম বলেই পরিচিতি পেয়েছে।  

এবছর প্রচন্ড গরম আর বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিং এ হাতপাখার উপরে র্নিভরতা বেড়েছে কয়েকগুণ। চাহিদার যোগান দিতে দিনরাত কাজ চলছে হাতপাখার গ্রামে। প্রতিদিন ১২শ’ থেকে ১৫শ’ হাত পাখা তৈরী হয় এ গ্রামে। একটি পাখা পাইকারি ৩০ টাকা এবং বিভিন্ন হাট-বাজারে, দোকানে এবং মেলায় বিক্রি হয় ৪০ টাকায়। 

এই ক্ষুদ্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বিসিক। হাত পাখা শিল্পকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে আসবেন এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। 

afroza/sharif