ছোট কোম্পানিগুলোতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ বেশি

প্রকাশিত: ০৯-০৯-২০২২ ১৪:০৫

আপডেট: ১০-০৯-২০২২ ০১:২২

তানজিলা নিঝুম: শেয়ারের দামের সর্বনিম্ন সীমা বা ‘ফ্লোর প্রাইস’ বেঁধে দেওয়ায় আবারো ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে ‘ফ্লোর প্রাইস’ তুলে দেয়ার গুজব বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। যদিও ফ্লোর প্রাইস তুলে দেবার কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এদিকে, বড় কোম্পানির চেয়ে ছোট কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করে বেশি লাভবান হচ্ছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।

গেলো সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫৬০ পয়েন্টে। তবে সূচক বাড়লেও আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৩১৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। মূলত বড় মূলধনের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। এর ফলে টানা তিন কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকলো পুঁজিবাজারে।

এর আগের সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবস ও তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে মূল্যসূচক বাড়ে। এতে টানা ছয় কার্যদিবসের উত্থানে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক সাড়ে ছয় হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়ে যায়। তবে গত সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবস সূচকের দরপতন হয়। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।

শেয়ারের দামের সর্বনিম্ন সীমা বেঁধে দেয়ার সুফল পাচ্ছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। তবে এটি স্থায়ী কোন সমাধান না বলে মনে করেন, ডিএসইর সাবেক সহ-সভাপতি আহমদ রশীদ লালী।

ক্ষুদ্র বিনিয়োাগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ও ভালো কোম্পানিগুলোকে তালিকাভূক্ত করতে নীতি-নির্ধারকদের নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নেবার পরার্মশও দিলেন তিনি। বাজারকে স্থিতিশীল করতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের আহবানও জানান আহমদ রশীদ লালী।

Tanzila/sharif