জুলাই-আগস্টে গার্মেন্টস শিল্পে ক্রয় আদেশ কমেছে

প্রকাশিত: ১২-০৯-২০২২ ১৩:৫৯

আপডেট: ১২-০৯-২০২২ ১৫:২৪

তানজিলা নিঝুম: তৈরি পোশাক খাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রপ্তানি আদেশ কমেছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। আবার রপ্তানি আদেশ বাতিল ও স্থগিতও করেছে অনেক ক্রেতা। বিগত মাসগুলোতে পোশাক রপ্তানি আয় ভালো হলেও ক্রয়াদেশ কম থাকায় আগামী কয়েকমাস পর থেকেই আয় কম হবে বলে শঙ্কা করছেন তারা। রপ্তানি বাড়াতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাজার ধরার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। 

বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে। এরপর শীর্ষ রপ্তানিতে হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং পাট ও পাটজাত পণ্য। ২০২১-২২ অর্থবছরে  পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩শ’ ৩৭ কোটি ডলারের। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের  চেয়ে ১৬ দশমিক ১৬ শতাংশ বেশি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছে সেসব দেশের মানুষ। শিপমেন্ট স্থগিত করায় প্রস্তুত করা পণ্যের বোঝাও বাড়ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

বিশ^জুড়ে চলা অর্র্থনৈতিক সংকট কতদিনে শেষ হবে তা অনিশ্চিত। তাই বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আশে-পাশের দেশগুলোর বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে বাণিজ্য ঘাটতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভের উপর বড় ধরনের চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা তাদের।

পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের চিত্র

 

অর্থবছর                     রপ্তানি আয় (ডলার)

২০২১-২২                  ৪২.৬১ বিলিয়ন

২০২২-২৩ (জুলাই)        ৩.৩৭ বিলিয়ন  

২০২২-২৩ (আগস্ট)       ৩.৭৫ বিলিয়ন

 

Nijhum/sanchita