যুদ্ধাপরাধী খলিলের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে খুশি মুক্তিযোদ্ধারা

প্রকাশিত: ১৩-০৯-২০২২ ২১:০৫

আপডেট: ১৩-০৯-২০২২ ২১:০৫

নেত্রকোণা সংবাদদাতা : আল-বদর কমান্ডার খলিলুর রহমানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন নেত্রকোণার মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানেরা। মঙ্গলবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানান তারা।

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতাকামীদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে খলিল। ধর্ষণ, লুটপাট চালিয়েছ। পলাতক এই যুদ্ধাপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার এবং রায় কার্যকর করার দাবি জানান বীর মুক্তিযোদ্ধারা। 

এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নেত্রকোণার খলিলুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। 

২০১৭ সালের ৩০শে জানুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলার আসামির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। শুরুর দিকে এ মামলায় পাঁচ আসামি ছিল। এর মধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বাকি চারজন হলেন- নেত্রকোণার দুর্গাপূর থানার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মৃত নবী হোসেনের ছেলে মো. খলিলুর রহমান, তার ভাই মো. আজিজুর রহমান, একই থানার আলমপুর ইউনিয়নের মৃত তোরাব আলীর ছেলে আশক আলী ও জানিরগাঁও ইউনিয়নের মৃত কদর আলীর ছেলে মো. শাহনেওয়াজ। তবে বিচার চলাকালে বাকি তিন আসামিও বিভিন্ন সময়ে মারা যান।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে দুর্গাপূর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের চেষ্টা, অপহৃত চারজনের মধ্যে দু’জনকে ক্যাম্পে নির্যাতন, ১৪/১৫টি বাড়িতে লুটপাট ও সাতটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

MBK/habib