ইছামতির ভাঙন হুমকিতে ঘিওর হাট

প্রকাশিত: ১৬-০৯-২০২২ ১৪:৩৫

আপডেট: ১৬-০৯-২০২২ ১৫:১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: মানিকগঞ্জের ঘিওরে ইছামতী নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বসতভিটাসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা। ভাঙন বাড়ছে লালমনিরহাটে ধরলা এবং তিস্তা নদীতেও। বালির বস্তা ফেলেও ভাঙন ঠেকাতে পারছেনা পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

অসময়ে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে মানিকগঞ্জের ঘিওরের নদ-নদীতে পানি বাড়ছে, দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। গত এক সপ্তাহে উপজেলার ঘিওর ইউনিয়নের কুস্তা, বেগুন নার্চী ও নার্চী এলাকার ইছামতি নদীতে বিলীন হয়েছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। 

ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে শতবছরের ঐতিহ্যবাহী ঘিওর হাটসহ, ঘিওর ও ঠাকুরকান্দি এলাকার যোগাযোগের একমাত্র সেতুটিও। স্থানীয়দের অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা বালির বস্তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ানোর পাশাপাশি ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুর রহমান। 

এদিকে, নদী ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলা পাড়ের মানুষ। প্রতিদিন নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে বাড়িঘর ও কৃষিজমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অনেকে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপদ স্থানে। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী পাড়ের মানুষের। 

স্থানীয়রা বলছেন, জেলার সদর ও আদিতমারী উপজেলায় ভাঙনের তীব্রতা বেশি। বালির বস্তা ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চললেও তা কাজে আসছেনা। এজন্য স্থায়ী বাঁধ ও নদীখননের দাবি এলাকাবাসীর।

FR/sharif