যমুনার ওপর রেলসেতুর স্প্যান দৃশ্যমান

প্রকাশিত: ২৪-০৯-২০২২ ১৪:১২

আপডেট: ২৪-০৯-২০২২ ১৬:১৪

তারেক সিকদার: দৃশ্যমান হচ্ছে যমুনা নদীর ওপর পৃথক রেল সেতু। ইতোমধ্যে একটি স্প্যানও বসেছে। আগামী মাসে বসবে আরও দুটি স্প্যান। পুরো সেতুর কাজ এগিয়েছে ৪৫ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চার দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু চালু হলে ঢাকার সাথে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে রেল যোগাযোগ আরও গতি পাবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার আশা কর্তৃপক্ষের।

যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল যোগাযোগ থাকলেও এখন তার পাশেই নির্মিত হচ্ছে পৃথক রেলসেতু। নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই রেল সেতুর দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার।  টাঙ্গাইল-সিরাজগঞ্জকে সংযোগকারী এই সেতুতে গত মাসেই বসানো হয়েছে প্রথম স্প্যান। আগামী মাসে আরও দুটি স্প্যান বসবে। 

সেতুর মোট ৫০টি খুঁটির মধ্যে ১০টির কাজ শেষ। আরও ৩০টি প্রায় শেষের পথে। মোট স্প্যান বসবে ৪৯টি। সেতুর দুই পাশে ভায়াডাক্ট বা উড়াল রেলপথ ও সংযোগ রেলপথসহ ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে। 

দেশের সবচেয়ে বড় এই রেল সেতু নির্মাণ ব্যয় শুরুতে ৯ হাজার ৭শ’ ৪০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও, পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭শ’ ৮০ কোটি টাকায়। এর মধ্যে জাইকা ৭২ শতাংশ ও বাংলাদেশ সরকার ২৮ শতাংশ ব্যয় বহন করবে। প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো.  মাসুদুর রহমান জানান, ডাবল লাইন এই রেল সেতুর জন্য ৪ শ’ ৩১ একর জমি নেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। 

জাপানের ৫টি ঠিকাদারি কোম্পানির কনসোটিয়ামে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হলেও তা ২০২৪ সালেই শেষ হবে বলে আশা রেল কর্তৃপক্ষের।

 

TH/sanchita