আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্র হবে চট্টগ্রাম বন্দর

প্রকাশিত: ২৭-০৯-২০২২ ২১:৪৫

আপডেট: ২৭-০৯-২০২২ ২২:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দরের সুযোগ সুবিধা ও পরিচালনা সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে বন্দর উন্নয়নে দেশি বিনিয়োগের তাগিদ দিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে ঢাকায় এক আলোচনা অনুষ্ঠানেতারা জানান, সমুদ্রপথে দেশের আমদানি রফতাণির ৯৩ শতাংশ হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর চালু হলে আগামীতে চট্টগ্রাম বন্দর আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্র হবে বলে জানান তারা। এতে যোগ দিয়ে এই বন্দরের সঙ্গে দেশের নদীপথ আরও স¤প্রসারণে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নৌ-বন্দরের উন্নয়নের বিকল্প নেই। আর এ বন্দর উন্নয়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর)জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশীয় বিনিয়োগে চট্রগ্রাম বন্দর উন্নয়ন বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করে দৈনিক ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষ। এতে অংশ নেন বন্দর ব্যবহারকারী, শিপিং এজেন্টস, সিএন্ডএফ এজেন্টস, চেম্বারের নেতৃবৃন্দ, বেসরকারি কনটেইনার ডিপো পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সব অংশীজনেরা। প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধে ফ্রেইট ও ফরোয়ার্ডস এসোসিয়েশনে সহসভাপতি খায়রুল আলম সুজন জানান, সমুদ্রপথে দেশে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ৯৩ শতাংশই হ্যান্ডলিং হয় এই বন্দর দিয়ে। আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয় ৯৮ শতাংশ। পরে আলোচনায় অংশ নিয়েচট্রগ্রাম বন্দরের পরিচালনা সক্ষমতা ও সম্ভাবনার দিক তুলে ধরেন বন্দরের অংশীজনেরা।

তবে পণ্য খালাসে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে জেটি সংখ্যা বাড়ানো, বে র্টামিনাল নির্মাণ কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা, অনলাইন ক্লিয়ারেন্স চালু ও এক জায়গায় সব সেবা নিশ্চিত করার কথা বলেন আলোচকরা। 

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামবন্দরের সক্ষমতার চিত্র তুলে ধরেন বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান। 

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র বন্দরগুলোতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহ। আরও কয়েকটা বন্দরেরসক্ষমতা বাড়াতে সংস্কার করা হবে বলেও জানান তিনি।  

পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী করতে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে দেশের নৌপথের যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

Nijhum/shimul