পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে গড়িমসি

প্রকাশিত: ২৯-০৯-২০২২ ১৫:১৭

আপডেট: ২৯-০৯-২০২২ ১৬:০৮

তানজিলা নিঝুম: দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার সুযোগ সরকার দিলেও, তাতে সুফল পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এই অর্থ কিভাবে দেশে ফেরত আনবে তা অস্পষ্ট। সরকার এই সুযোগ দেয়ার পরে এখনো কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই দেশ থেকে যাতে অর্থ পাচার না হয় সে বিষয়ে সরকারকে বেশি মনোযোগ দেয়ার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে এর সুফল পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংক। 

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবার দেশ থেকে পাচার করা অর্থ বৈধ করার সুযোগ  দেয়া হয়। তবে বাজেটের পর পরই নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। এনবিআর বলছে, উদ্যোগে অন্তত ১০০ কোটি ডলার দেশে আসবে। এতে অভ্যন্তরীন অর্থনীতি চাঙা হবে। কিন্তু কীভাবে ফেরত আনা যাবে তা অস্পষ্ট। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পাচার হওয়া অর্থ চলতি বছরের জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এনে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করা যাবে। মাত্র শতাংশ কর দিতে হবে। আগামী বছরের ৩০শে জুন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, যে প্রক্রিয়ায় দেশে রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীর, একইভাবে পাচার করা টাকা পাঠাতে পারবেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য প্রথমে সেই অর্থ বৈধ করার ঘোষণা দিতে হবে তাদের। তবে এখন পর্যন্ত পাচার হওয়া কোন অর্থ বৈধভাবে দেশে আনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কিছুই জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

বৈদেশিক আয়ের মত দেশে আনার প্রক্রিয়ায় পাচার হওয়া অর্থ দেশে আসলে, উল্টো প্রণোদনা দিতে হবে তাদের। প্রক্রিয়াটি জটিল বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমান। পাচার হওয়া অর্থ বৈধ করে দেশের ফেরত আনার সুযোগের সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি। 

Nijhum/sharif