চাহিদামতো সার পাচ্ছেনা কৃষকরা

প্রকাশিত: ৩০-০৯-২০২২ ১৪:৫১

আপডেট: ৩০-০৯-২০২২ ১৫:১৪

ফাহিম মোনায়েম: দেশের অনেক জেলায় চাহিদামত সার পাচ্ছে না কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা নেয়ার অভিযোগও আছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। কৃষি অধিদপ্তর বলছে, চলতি মওসুমে চাহিদার পুরো যোগান দেয়ার সার মজুদ আছে। তবে ডিলাররা সরকারি গুদাম থেকে সময়মত সার না নেয়ায় এবং পরিবহন জটিলতায় কোন কোন জায়গায় সমস্যা হয় বলে স্বীকার করেছে বিসিআইসি। বেশি দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থায় নেয়া হয়েছে বলে জানায় তারা। 

দেশে এখন আমন ধান চাষের ভরা মওসুম। আমন আবাদে ইউরিয়া, এমওপি টিএসপি সার লাগে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে সব সারের মজুদ পর্যাপ্ত আছে। তারপরও কয়েক জেলায় চাহিদামতো এমওপি টিএসপি সার না পেয়ে বিক্ষোভ করেছে কৃষকরা। 

তাদের দাবি, কয়েকদিন ঘুরেও চাহিদামত সার মিলছে না। আবার পেলেও কিনতে হচ্ছে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকায়।বেশি দাম নেয়ার অভিযোগের ব্যাপারে ডিলার খুচরা বিক্রেতারা পরস্পরকে দোষারোপ করেন। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, এক বছরে দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ মেট্রিক টন। এছাড়া টিএসপি লাখ, ডিএপি ১৫ লাখ এমওপি সাড়ে লাখ মেট্রিকটন প্রয়োজন পড়বে। আমন আবাদসহ বছরের বাকি সময়ের চাহিদা মেটানোর সার মজুদ আছে। 

ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকের কাছে সার পৌঁছায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন বিসিআইসি। সারাদেশে বিসিআইসি গুদাম সংখ্যা ৩৩টি। আর ডিলার রয়েছে হাজার ৫০২ জন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন সংকটে সময়মত সব গুদামে সার পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে স্বীকার করেছে বিসিআইসি। 

ডিলাররা নিজ খরচে সার নিতো তাদের এলাকার বিভাগীয় গুদাম থেকে। কিন্তু বছর অন্য বিভাগের গুদাম থেকেও সার নিতে হয়েছে। সে কারণে অনেক ডিলার সার তুলতে দেরি করে। 

আমন মৌসুমের বাকি সময় এবং আগামী বোরো মৌসুমে যাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেজন্য আগেভাগেই ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

সারের চাহিদা মজুদের চিত্র

সার                      বছরে চাহিদা                          বর্তমান মজুদ

 

ইউরিয়া                 ২৬ লাখ মে. টন           লাখ মে. টন

টিএসপি                 লাখ মে. টন                  লাখ মে. টন 

ডিএপি                   ১৫ লাখ মে. টন      লাখ মে. টন 

এমওপি                   লাখ ৫০ হাজার মে. টন     লাখ মে. টন

 

 

FM/sharif