চীনা মুদ্রায় বিদেশি লেনদেনের সুযোগ

প্রকাশিত: ০১-১০-২০২২ ১৪:৩৫

আপডেট: ০১-১০-২০২২ ১৫:১৯

তানজিলা নিঝুম: আমেরিকান ডলারের পাশাপাশি চীনা মুদ্রা ইউয়ানে আমদানি ব্যয় পরিশোধ করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে রিজার্ভের উপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করেন ব্যাংকটির মুখপাত্রসিরাজুল ইসলাম। সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে চীনা মুদ্রার বিনিময় হার কেমন হবে, তা স্পষ্ট করার কথা বলেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি চীনা মুদ্রা পর্যাপ্ত মজুত আছে কিনা, সে বিষয়েও সঠিক ধারনা দেয়া উচিত বলেও মনে করেন তারা।

দেশের আমদানি ব্যয়ের পুরোটাই মেটানো হয় আমেরিকান ডলারে। চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে ডলারের বিনিময় হারে অস্থিরতা পাশাপাশি সংকটও দেখা দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা বাজারকে স্বাভাবিক করতে দফায় দফায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংকট দুর করতে সম্প্রতি চীনা মুদ্রা ইউয়ানে আমদানি ব্যয় মেটানোর সুযোগও দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে অনুমোদিত ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চীনা মুদ্রায় ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলো তাদের বৈদেশিক শাখার মাধ্যমে আন্ত:সীমান্ত লেনদেন নিষ্পত্তি করতে পারবে। 

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশে বিভিন্ন পণ্য আমদানি বাড়ছে। পোশাক খাতের ২০ শতাংশ কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি করা হয়। এমন উদ্যোগে সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো রিজার্ভে চীনা মুদ্রা ইউয়ানের পরিমাণ বাড়াচ্ছে। তাই দেশের ব্যাংকিং খাতকে এ সুযোগ দেয়া হলো বলে জানান বাংলাদেশ ব্যংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম। চীনা মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের সাথেই উঠানামা করবে বলে আশ^স্ত করেন তিনি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কি পরিমান ইউয়ান মজুত আছে তা জানায়নি ব্যাংকটির মুখপাত্র।  

Nijhum/sharif