নওগাঁর এক গ্রামেই ৩৬৫টি পুকুর

প্রকাশিত: ০৪-১১-২০২২ ০৮:৩০

আপডেট: ০৪-১১-২০২২ ০৮:৫৮

নওগাঁ সংবাদদাতা: নওগাঁর ধামইরহাটে একটি গ্রামেই রয়েছে ছোট-বড় ৩৬৫টি পুকুর। এগুলোর পাড় ঘিরে সবুজ বনায়ন করেছে বন বিভাগ। গড়ে উঠেছে পরিকল্পিত বসতবাড়ি। এসব পুকুর দেখতে তাই প্রতিদিনই আসছে দর্শনার্থীরা। স্থানীয়রা বলছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে এটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। 

নওগাঁর ধামইরহাটে ঘুকশি নদীর তীরে অবস্থান সবুজে ঘেরা ছায়া সুনিবিড় চক-চান্দিরা গ্রামের। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই গ্রামটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছোট-বড় ৩৬৫টি পুকুর। যেগুলোর পাড়ে বন বিভাগের উদ্যোগে সবুজ বনায়ন করা হয়েছে। গড়ে উঠেছে বসতবাড়ি। যা গ্রামের সৌন্দর্যকে বাড়িয়েছে বহুগুণ।

স্থানীয়রা জানান, অষ্টম শতাব্দীতে পাল শাসনামলে এসব পুকুর খনন করা হয়েছিল। রাজা তার স্ত্রীর রোগমুক্তির জন্য রাজ বৈদ্যের পরামর্শে ৩৬৫টি পুকুর খনন করেন। শত শত বছর ধরে এসব পুকুর ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে নানা ধরনের লোককথাও প্রচলিত রয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে প্রতিনিয়ত এসব পুকুর দেখতে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামটিকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি স্থানীয়দের। গ্রামটিকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান।

কালের বিবর্তনে হারিয়েছে রাজা, রাজ্য আর রাজপ্রাসাদ। কিন্তু কালের সাক্ষী হয়ে আজও রয়েছে পুকুরগুলো। শুধুু তাই নয় স্থানীয়দের পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অনেকের জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমও এসব পুকুর।

kanij/sharif