সংগঠিত হচ্ছে নতুন জঙ্গি সংগঠন

প্রকাশিত: ০৪-১১-২০২২ ১৪:৩৬

আপডেট: ০৪-১১-২০২২ ১৬:০২

নিজস্ব প্রতিবেদক: বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর জন্য সংগঠিত হচ্ছিল নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া। এজন্য তারা অর্থ সংগ্রহ, অস্ত্র কেনা ও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছিল। র‌্যাব জানিয়েছে,গত আট মাসে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র কেনায় সংগঠনটি খরচ করেছে অর্ধকোটি টাকা।গতকাল জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার শীর্ষস্থানীয় দুই নেতাকে গ্রেফতারের পর আজ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব। 

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া তরুণদের খুঁজতে গিয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার খোঁজ পায় আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। তিন দফায় সংগঠনটির ২২ সদস্যকে গ্রেফতারের পর তাদের তথ্যমতে সবশেষ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার লাকসাম থেকে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন-র‌্যাব। এদের মধ্যে রয়েছে অর্থ বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক বাচ্চু ও হিজরত বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক সোহেল।

রাজধানীর কাওরান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের খন্দকার আইন ও গণমাধ্যম শাখা আল মঈন পরিচালকবলেন বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল নতুন জঙ্গি সংগঠনটি। এজন্য গত ৮ মাসে তারা ১৭ লাখ টাকার অস্ত্র কিনেছে। এছাড়া প্রশিক্ষণ বাবদ খরচ করেছে আরও ৩৩ লাখ টাকা। 

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা পরিচালক আরও জানান, আইনশৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে নানা কৌশল রপ্ত করেছিল জঙ্গিরা। এমনকি ফুটপ্রিন্ট মুছে ফেলার কৌশলও আয়ত্ব করেছে। আক্রমণের দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে। 

প্রশিক্ষণের জন্য পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফ এর সাথে তারা চুক্তি করেছিলো। কেএনএফকে মাসে ৩ লাখ টাকা দিতো জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া। গত ৮ মাসে নতুন এ সংগঠনের ২৯ জনকে প্রশিক্ষণের জন্য পাহাড়ে পাঠানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব। 

Rakib/sharif