যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন মঙ্গলবার

প্রকাশিত: ০৭-১১-২০২২ ২০:০৮

আপডেট: ০৭-১১-২০২২ ২০:০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন আগামীকাল মঙ্গলবার (৮ই নভেম্বর)। এ নির্বাচনেই স্পষ্ট হবে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেট দল ভোটারদের আস্থা ধরে রাখতে পেরেছে কিনা। যদি ভোটারদের সমর্থন রিপাবলিকানদের দিকে যায় তাহলে পার্লামেন্টে শক্ত অবস্থানে পৌঁছাবে তারা। এখন শেষ সময়ের জোর প্রচারণায় ব্যস্ত দুই দলই। তবে, ভোট নিয়ে কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকানরা হারলে ফল না মানার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। আর বাইডেন বলেছেন, এই নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য এক কঠিন লড়াই। 

মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের চলছে শেষ মুহূর্তের তুমুল প্রচার প্রচারণা। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিতে থাকায় ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চালাচ্ছে জোরেসোরে। আর জনমত জরিপে কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকায় রিপাবলিকান পার্টিও কোমর বেঁধে নেমেছে। নির্বাচনী মাঠে নিজ নিজ দলের পক্ষে সমান তালে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

রোববার ব্যাটল গ্রাউন্ড পেনসিলভানিয়া ও নিউইয়র্কে জনসংযোগ করেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, আগামী কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নির্ধারণ করবে এবারের নির্বাচনের ফল। আমেরিকায় এখন গণতন্ত্রের জন্য এক কঠিন লড়াই চলছে। জনগণকেই নিতে হবে শেষ সিদ্ধান্ত। 

এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে জালিয়াতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রিপাবলিকান নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির হাতে নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে আরও অপরাধ ও অবাধ অভিবাসন ঘটতে থাকবে। তাই এই নির্বাচনের ওপর দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অনেকটাই নির্ভর করছে। দেশের বিনাশ না চাইলে রিপাবলিকান প্রার্থীকেই বেছে নেয়ার আহ্বান জানান ট্রাম্প। 

মঙ্গলবার মার্কিন পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে নির্বাচন হবে। আর নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের প্রত্যেক সদস্যের মেয়াদ দুই বছর হওয়ায় এর সবগুলো আসনের জন্যই অনুষ্ঠিত হবে ভোট। এবারে অর্থনৈতিক মন্দা ও সহিংসতাসহ নানা কারণে বাইডেন প্রশাসন চাপের মুখে। পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ বিরোধিদের দিকে গেলে মেয়াদকালের বাকি দুই বছর বাইডেন প্রশাসনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন রিপাবলিকানরা। এখন দেখার অপেক্ষা মঙ্গলবার কী সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন ভোটররা? 

 

SAI/sat