উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বদলে গেছে

প্রকাশিত: ১৩-১১-২০২২ ১২:৩৬

আপডেট: ১৩-১১-২০২২ ১৫:৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিল্প, যোগাযোগ আর অবকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আজ বদলে গেছে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৪ বছর ধরে সরকারে আছে। আমরা বাংলাদেশকে বদলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ আজ বদলে গেছে। আমরা চাই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’। রোববার (১৩ই নভেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতিকারক ও রফতানিকারক সমিতি আয়োজিত ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

বর্তমান সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতিতে চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের নিরাপদ পরিবেশ রয়েছে। তাই বিদেশী ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার বেসরকারি খাতকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে, নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরী হচ্ছে। দেশজুড়ে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এখন অঞ্চলভিত্তিক কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ’রফতানি খাতে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে পোশাক রফতানি খাত। করোনাকালের বৈশ্বিক মন্দা কাটিয়ে রফতানি খাত শক্তভাবে মোকাবেলা করেছে। আর তা সম্ভব হয়েছে সরকারের প্রণোদনার কারণে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার আহবানও জানান তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’মেইড ইন বাংলাদেশের কারণে পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযুক্ত মানব সম্পদ গড়ে তোলার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। 

করোনা মহামারিকে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ’করোনা সারা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল। আমি জানি, আমাদের ব্যবসায়ীরা অনেক উদ্বিগ্ন ছিলেন। সেই সময় আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয়। তখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তার সুফল এখন আমরা পাচ্ছি। সকল বাধা অতিক্রম করে ব্যবসা বাণিজ্য এখন চলছে।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধ হোক সেটা আমরা চাই। নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বন্ধ হোক। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় আরও বলেন, ’তৈরি পোষাক রফতানি প্রবৃদ্ধি যাতে অব্যাহত থাকে, সেজন্য নগদ অর্থ সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধাও আমরা প্রদান করেছি। ওয়ারহাউস সুবিধা, বিনা শুল্কে কাঁচামাল আমদানি সুবিধা, ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার সুবিধা, হ্রাসকৃত শুল্কে মেশিনারিজ আমদানি, রফতানিমুখী শিল্পে অনুকূলে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) আমরা রিজার্ভের টাকা দিয়েই করে দিয়েছি।’

Amirul/habib