অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্র: ন্যায় বিচার চান জয়

প্রকাশিত: ১৩-১১-২০২২ ১৯:১৬

আপডেট: ১৩-১১-২০২২ ১৯:১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০১৫ সালে পল্টন থানায় করা মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সাক্ষ্য শেষে তিনি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েছেন। আজ রোববার (১৩ই নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেন জয়। 

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর-পিপি আব্দুল্লাহ আবু জানান, সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করা হয়েছিলো ২০১৫ সালের তেসরা  আগষ্ট। বাদী ছিলেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান। ওই মামলার সাক্ষী দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এপর্যন্ত ১৫ জনের মধ্যে জয়সহ ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। 

এসময় জয় আদালতকে জানিয়েছেন. বাংলাদেশের বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রেও মামলা করা হয়েছে। সেখানে এফবিআইয়ের এজেন্ট রবার্ট ল্যাক্টিটসহ কয়েকজনের শাস্তিও হয়েছে। 

২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যে কোনো সময় থেকে এ পর্যন্ত বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানী পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার আসামিরা একত্রিত হয়ে যোগসাজশে সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

ওই ঘটনায় ২০১৫ সালের তেসরা আগস্ট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদি হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

rocky/sharif