তৃণমূলে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঐক্যের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ১৬-১১-২০২২ ১০:৩৮

আপডেট: ১৬-১১-২০২২ ১৪:৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বন্দ্ব, বিভেদ ভুলে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার (১৫ই নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

সূত্র জানায়, বৈঠকে জেলা নেতারা দলীয় সভাপতির কাছে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন। একইসঙ্গে সংগঠনে কিছু ব্যক্তির কারণে সৃষ্ট তৃণমূলের কোন্দলের কথাও তুলে ধরেন। দলীয় সভাপতি তৃণমূল নেতাদের কথাগুলো শুনে বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ভুলে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। এখনই কোন্দল নিরসন করতে হবে। নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে যেতে হবে। নিজেদের ঐক্য না থাকলে ক্ষমতায় আসা যাবে না। কাজেই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে এখনো প্রয়োজনীয় যে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি, সেগুলো আগামী মেয়াদে করার প্রতিশ্র“তি দিতে হবে। সর্বোপরি মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে তাদের মন জয় করতে হবে স্থানীয় পর্যায়ে স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট যা দরকার সেগুলো পরবর্তী মেয়াদে করে দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ প্রতিশ্র“তি দিলে সেটা রাখা হয়, সেটাও মনে করিয়ে দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর অর্থপাচার, পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা, বিদেশের আদালতে তাঁদের দুর্নীতি প্রমাণ হওয়ার মতো বিষয়গুলো মানুষকে মনে করিয়ে দিতে হবে।

এসময় খাগড়াছড়ি জেলার নেতারা তাঁদের জেলায় ৪২টি সেতু করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ ছাড়া পার্বত্য এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

দলের একটি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ নেতাদের ভূমিকা রাখতে তাগিদ দেন। তিনি দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতে উৎপাদন নিশ্চিত করার কথা বলেন। দেশের কোথাও যেন কেউ খাদ্য মজুদ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে তৃণমূলের নেতাদের নির্দেশ দেন।

গণভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ও মহানগর, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর জেলা এবং কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), যুব মহিলা লীগ এবং ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কয়েকজন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

 

MNU/Bodiar