অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে গাইবান্ধা উপনির্বাচনে : ইসি আনিছুর

প্রকাশিত: ১৬-১১-২০২২ ১৫:৪১

আপডেট: ১৬-১১-২০২২ ২০:৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সব জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের একই মর্যাদায় নিয়ে আসতে প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মাঠ প্রশাসনের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে পঞ্চম গ্রেডে উত্তীর্ণ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৯টি জেলায় এই গ্রেডের কর্মকর্তা আছে। আজ বুধবার (১৬ই নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কশিনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। 

পরে সভার সার্বিক বিষয় তুলে ধরে সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান। তিনি জানান, ‘ক’ শ্রেণীর ২৩০ উপজেলার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ৬ষ্ঠ গ্রেডে উন্নিত করার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। 

এছাড়া তিনি বলেন, গাইবান্ধা উপনির্বাচনে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির সুপারিশ করা হবে। 

এর আগে, গত ৫ই নভেম্বর গাইবান্ধা উপনির্বাচনে বন্ধ হওয়া ৯৪ কেন্দ্রের বিষয়ে আবারও তদন্তের নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউইয়াল। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন তিনি। এরপর প্রতিবেদন অনুযায়ী চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান সিইসি।

গত ১২ই অক্টোবর দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ভোটে অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সংসদীয় আসনের পুরো ভোট বন্ধ ঘোষণা করেন। এরপরই আলোচনায় আসে ইসি। গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন বন্ধ করার পর এর পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় নানা মহলে।

তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, ভোটের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় বন্ধ হয়েছিল ভোটগ্রহণ। আরপিওর ক্ষমতাবলে ইসি ভোট বন্ধ করেছে।

এরপর ইসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের সব কেন্দ্রে বন্ধ করা হয় ভোটগ্রহণ। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যও বলা হয়।

 

KFA/shimul