রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা বাড়ানোর তাগিদ ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত: ২০-১১-২০২২ ১৮:৫৪

আপডেট: ২০-১১-২০২২ ২০:৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতার এই সময়ে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন ব্যবসায়ী নেতারা। এর পাশাপাশি তৈরি পোশাকের বাজার বাড়ানো জরুরি বলেও মনে করে নীতিনির্ধারক মহল। রাজধানীতে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা ওঠে আসে। এসময় রাজনৈতিক, সামাজিক ও কারিগরি শক্তির সমন্বয় করে এগোনোর পরামর্শ দেয়া হয় সিপিডির পক্ষ থেকে। 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের দ্বাদশ সম্মেলনে গৃহিত পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশের স্বল্পন্নোত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় পৌঁছানোর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, উন্নয়শীল মর্যাদা পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের শুল্ক সুবিধা যেন কমে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সবাইকে মিলে এক হয়ে কাজ করতে হবে। 

আলোচন সভায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর সভাপতি জসিম উদ্দিন বললেন, বর্তমান বৈশি^ক  পরিস্থিতি ব্যবসার জন্য প্রতিকূল। বিদেশীদের পাশাপাশি দেশীয় ব্যবসায়ীরাও নতুন বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে না। বাংলাদেশ রপ্তানিতে ভালো করলেও মূলত পোশাকখাত নির্ভর। বাজার ধরে রাখতে অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সবাই মিলে এক সাথে কাজ করলে চলমান প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব।  

এসময় বাণিজ্য সচিব  মৃণাল কান্তি ঘোষ বলেন, তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে শুধু যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারনির্ভর না থেকে নুতন বাজার খুঁজে বের করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে বলে ভুল ধারণা আছে ব্যবসায়ীদের মনে। এক্ষেত্রে রপ্তানি ও সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে, সব ক্ষেত্রে দেনদরবারের সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।  পরিস্থিতি সামলে নিতে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মাথায় রেখে নীতি প্রণয়ন ও আগামীদিনের প্রস্তুতি নেবার তাগিদ দেন এই অর্থনীতিবিদ। 

 

Mukta/shimul