বীজের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা

প্রকাশিত: ৩০-১১-২০২২ ০৮:৪৪

আপডেট: ৩০-১১-২০২২ ১০:৩৬

দিনাজপুর সংবাদদাতা: কাঙ্খিত মূল্য না পাওয়ায় অসন্তোষ বিরাজ করছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন-বিএডিসি’র সাথে চুক্তিবদ্ধ বীজ উৎপাদনকারীদের মাঝে। তাদের অভিযোগ, বিএডিসি’র কাছে মানসম্মত বীজ সরবরাহ করেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না তারা। সঠিক সময়ে অর্থ না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে বিএডিসি’র দাবি, বাজার মনিটরিং করেই নির্ধারিত হয় বীজের মূল্য।

খাদ্য সংকট নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন দেশ। কিন্তু কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, কৃষিনির্ভরতার কারণে বাংলাদেশ কিছুটা হলেও স্বস্তির মধ্যে রয়েছে। কৃষকরা ভালো ফসল ফলাচ্ছেন বলেই বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও খাদ্য সংকট নিয়ে তেমন শংকা নেই দেশে।কিন্তু ভালো ফসলের জন্য যারা ভালো বীজ উৎপাদন করে চলেছেন, সেসব চাষীদের মধ্যে রয়েছে অসন্তোষ। 

বিএডিসি’র চুক্তিবদ্ধ বীজ উৎপাদনকারীরা বলছেন, মানসম্মত বীজের কারণে ফলন বাড়ে ২০ শতাংশ। এসব বীজ বিএডিসি’র কাছে সরবরাহ করার পরও তারা সময়মতো টাকা পাচ্ছেন না, আবার পাচ্ছেন না সঠিক মূল্যও। এজন্য সম্প্রতি সারাদেশের চুক্তিবদ্ধ চাষীদের নিয়ে দিনাজপুরে মহাসম্মেলন করেছেন তারা।

সমিতির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, ভালো মানের বীজ উৎপাদন করেও চাষীরা তাদের নায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ জন্য আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএডিসি’রউপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান সরকারজানান, বীজের  মূল্য নির্ধারণ করা হয় কেন্দ্রীয়ভাবে। বাজার যাচাই করে তা নির্ধারণ করা হয়।

দিনাজপুরের চুক্তিবদ্ধ চাষীদের কাছ থেকে গত আমন এবং বোরো মৌসুমে ৪ হাজার ৮৭৩ টন বীজ সংগ্রহ করে বিএডিসি। উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য এসব বীজ চাষীদের মধ্যে বিতরণ ও বিক্রি করা হয়।

Laiza/sharif