‌‌দিনাজপুরে অপহরণের পর শিশুকে হত্যা

প্রকাশিত: ০৫-১২-২০২২ ১৯:৪৫

আপডেট: ০৫-১২-২০২২ ১৯:৪৫

দিনাজপুর সংবাদদাতা: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় অপহরণের দুই দিন পর আট বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি হত্যার পূর্বে শিশুকে বলাৎকার করেছেন। এ ছাড়া হত্যার পর শিশুর বাবার কাছে মুক্তিপণের জন্য টাকাও চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ই ডিসেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই অপহরণ ও হত্যার ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ।

তিনি জানান, রবিবার (চৌঠা ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে খানসামা উপজেলার পাকেরহাটে পুলিশের সাবেক গাড়িচালক আব্দুস সালামের বাড়ির আঙিনায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা বস্তাবন্দি হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু আরিফুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এতে আরো জানানো হয়, শুক্রবার বিকেল থেকে শিশু আরিফুজ্জামান নিখোঁজ ছিল। পুলিশ এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রবিবার রাতে আটক শরিফুল ইসলাম (২৪) নিজের দোষ স্বীকার করেন।

শরিফুল উপজেলার কায়েমপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি খানসামা বিএম কলেজে কম্পিউটার ট্রেড নিয়ে পড়শোনার পাশাপাশি কিছু ছাত্রকে কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতেন।

‘বলাৎকারের পর পরিবারকে জানিয়ে দেবে, এই ভেবে ওই শিশুকে হত্যা করেন শরিফুল’ জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, এরপর নিহত শিশুর দেহ হাত-পা বেঁধে একটি বস্তায় ঢুকিয়ে সেই ভাড়া বাসার সামনের আঙিনায় পুঁতে ফেলেন। পরে নিহত শিশুর বাবাকে ফোন দিয়ে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তিনি।  

Sanjida/sat