বিশ্বব্যাপী বেড়েছে অস্ত্র বিক্রি

প্রকাশিত: ০৬-১২-২০২২ ১৫:০২

আপডেট: ০৬-১২-২০২২ ১৫:০২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনা অতিমারির কারণে অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্তহলেও ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। আর ২০১৯-২০২০ সালে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ১ শতাংশ। অস্ত্র বিক্রেতা ১০০টি বড় কোম্পানির মধ্যে শীর্ষ ৪০টিই যুক্তরাষ্ট্রের। টানা ৭ বছর ধরে বৈশ্বিক অস্ত্র বিক্রির এ তথ্য প্রকাশ করেছে স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা সংস্থা। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও বেড়েছে অস্ত্র বিক্রি।

২০২০ সালে করোনা আঘাত হানার পর বিশ্বব্যাপী কমতে থাকে অস্ত্রের উৎপাদন। অস্ত্র তৈরির কাঁচামাল সময়মতো না পাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয় অস্ত্র বাণিজ্য। ফলে তখন ধারণা করা হয়, সংকটের মুখে পড়বে এ খাত। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে তার উল্টো। ২০২১ সালেঅস্ত্র বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে তুলনামূলক ভাবে বেশি। যা ২০২০ সালের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা সংস্থা ‘এসআইপিআরআই’।

অস্ত্র খাতের ডাটাবেজ নিয়ে বার্ষিক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সাল থেকে বিশ্বের ১০০টি বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯২ বিলিয়ন ডলারে। যার মধ্যে ৪০টিই যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন। তাদের মোট অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ছিল ২৯৯ বিলিয়ন ডলার। এছাড়াও রয়েছে ইউরোপের ২৭টি প্রতিষ্ঠান।

শুধু তাই নয়, এশিয়ার দেশ চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও বেড়েছে অস্ত্র বিক্রি। শীর্ষ দশম স্থানে রয়েছে চীনের চারটি প্রতিষ্ঠান। দেশটিতে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

তবে নানা প্রতিকূলতার পরও ২০২১ সালে অস্ত্র বিক্রি বাড়লেও এবছর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জেরে অনেক প্রতিষ্ঠান অস্ত্র সরবরাহে বাধার মুখে পড়েছে। কারণ অস্ত্রের কাঁচামালের সিংহভাগই উৎপাদন হয় রাশিয়ায়।কিন্তু দেশটির ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে অস্ত্রের কাঁচামাল রফতানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

hasna/sharif