
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চলছে চার দিনব্যাপী বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক উৎসব। সৌদি সরকারের ‘গ্লোবাল হারমনি’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত হয় এ উৎসব।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে আজ তৃতীয় দিন বাংলার সংস্কৃতি ধারণ করে আছে রিয়াদ। এ উৎসবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। একই সঙ্গে উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারা তুলে ধরা হচ্ছে। এতে ছিল ইন্টারেক্টিভ সার্কাস, বাংলাদেশি খাবারের স্টল এবং হস্তশিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশি ঐতিহ্যের প্রদর্শন করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এই অনুষ্ঠান গত ৩ নভেম্বর থেকে চালু হয়েছিল, যা চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দেশটির গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় ও এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির সহযোগিতায় রিয়াদের সুওয়াইদি পার্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উৎসব।
এতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, উগান্ডা, ইয়েমেন, সুদান, সিরিয়া, ইথিওপিয়া এবং লেভান্ট অংশ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা দেশ গুলো নিজ নিজ দেশের সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক, ভাষা, নৃত্য এবং সংগীতশিল্প তুলে ধরে।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গড়া বাৎসরিক বিনোদনের মৌসুম রিয়াদ সিজন। ২০১৯ সালে শুরু হয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা নেয়ার পাশাপাশি রিয়াদ সিজন সৌদি নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের হৃদয়েও জায়গা করে নিয়েছে। দুই বছরের মাথায় প্রায় পাচ মিলিয়ন দর্শকের মন জয় করে নেন রিয়াদ সিজন।
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করে তুলতে ‘ভিশন-২০৩০’ অংশ হিসেবে গত বছর ‘গ্লোবাল হারমনি’ উদ্যোগ শুরু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য সৌদি আরবে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও সমাজে তাদের অবদান তুলে ধরা।
মন্তব্য করুন