সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল শেখ হাসিনার, প্রধান সমন্বয়ক তাপস
তদন্ত রিপোর্ট / বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল শেখ হাসিনার, প্রধান সমন্বয়ক তাপস
নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি আলাদা হলো বিচার বিভাগ
নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি আলাদা হলো বিচার বিভাগ
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে চূড়ান্ত লাইসেন্সের সিদ্ধান্ত
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে চূড়ান্ত লাইসেন্সের সিদ্ধান্ত
তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া
তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া
বিপিএল নিলামের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ছয় দল
বিপিএল নিলামের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ছয় দল
তারেক রহমানের দেশে ফেরা আটকে আছে কোথায়?
তারেক রহমানের দেশে ফেরা আটকে আছে কোথায়?
সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেন রাঙামাটির নবাগত পুলিশ সুপার
সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেন রাঙামাটির নবাগত পুলিশ সুপার
চট্টগ্রাম কক্সবাজার ব্লকেড প্রত্যাহার
চট্টগ্রাম কক্সবাজার ব্লকেড প্রত্যাহার

হাসপাতালে ভীড় করবেন না, নিজ নিজ অবস্থান থেকে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করুন

শেকৃবির শিক্ষার্থীদের বিদেশে গবেষণার দ্বার উন্মোচিত : নেপথ্যে উপাচার্য 

‘একটা চাঁদর হবে’ খ্যাত শিল্পী জেনস সুমন আর নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের মানবতার সমাবেশ

নবীনগরে বিএনপির ৭ প্রার্থীর ঐক্য,মান্নানের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি

উজিরপুরে মেজর এম এ জলিলের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা

হিলিতে অভিযান ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নেদারল্যান্ডসকে কেন সাইকেলের দেশ বলা হয় ?
নেদারল্যান্ডসকে কেন সাইকেলের দেশ বলা হয় ?
পৃথিবীতে এমন এক দেশ আছে, যেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই সাইকেল ব্যবহার করতে পছন্দ করে। এমনকি দেশটির জনসংখ্যার তুলনায় সাইকেলের সংখ্যা বেশি। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ, আর সাইকেলের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ। মানে, এই দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক সাইকেল আছে। দেশটির নাম নেদারল্যান্ডস। নেদারল্যান্ডসে সাইকেলের দেখা বেশি পাওয়া যায় রাজধানী আমস্টারডামে। এটি ‘সাইকেলের শহর’ বা ‘বিশ্বের বাইসাইকেলের রাজধানী’ নামেও পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগপর্যন্ত নেদারল্যান্ডসে গাড়ির পাশাপাশি সাইকেল ব্যবহার করা হতো। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেখা যায় ভিন্ন পরিস্থিতি। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ তখন নিজেদের পুর্নগঠনে ব্যস্ত ছিল। নেদারল্যান্ডসও নিজেদের আর্থিক ও দেশের কাঠামোর উন্নয়নে কাজ করেছে। অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির পাশাপাশি মানুষের রুচির পরিবর্তন হতে থাকে। সাইকেল বাদ দিয়ে মানুষ বেছে নিতে শুরু করে মোটরগাড়ি। কিন্তু ১৯৬০–৭০-এর দশকে যখন গাড়ির ব্যবহার দ্রুত বাড়তে থাকে, তখন দুর্ঘটনার হারও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় মারা যেতে থাকে। এই সময় দেশজুড়ে শুরু হয় “Stop de Kindermoord” (বাংলায় ‘শিশুহত্যা বন্ধ করো’) আন্দোলন। এই আন্দোলন সরকারকে ভাবতে বাধ্য করে—শহর কেবল গাড়ির জন্য নয়, মানুষের জন্যও হতে হবে। এরপর থেকেই সরকারের নীতিতে আসে বড় পরিবর্তন। ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে নেদারল্যান্ডস সরকার সাইকেলকে শহুরে পরিবহনের মূল মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে। শুরু হয় বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন যেমন আলাদা সাইকেল লেন তৈরি করা, নিরাপদ ক্রসিং তৈরি , স্কুল ও অফিসগামীদের জন্য সাইকেল রুট, সাইকেল পার্কিং সেন্টার এবং গাড়ির গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৩৫,০০০ কিলোমিটার সাইকেল লেন রয়েছে। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ অফিস, স্কুল বা বাজারে যাতায়াত করে সাইকেলে।  পরিবেশবান্ধব মনোভাব ও স্বাস্থ্য সচেতনতা এই প্রবণতাকে আরও শক্ত করেছে। সাইকেল চালানোয় কোনো দূষণ হয় না, শরীরচর্চাও হয়, ফলে এটি এখন শুধু পরিবহন নয়—জীবনযাপনের অংশ।  
মুভি দেখার সময় সবাই পপকর্ন কেন খায় ?
মুভি দেখার সময় সবাই পপকর্ন কেন খায় ?
সিনেমা হলে ঢুকলেই নাকে আসে গরম মাখন-মেশানো পপকর্নের গন্ধ। অন্ধকার হলঘরে বড় পর্দার সামনে বসে পপকর্ন চিবিয়ে সিনেমা দেখা—এ যেন সিনেমা সংস্কৃতির এক চিরচেনা দৃশ্য। কিন্তু কেন মুভির সঙ্গে পপকর্ন এমন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে? এর শুরুটা প্রায় এক শতাব্দী আগের। ১৯৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে চলছিল ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা—‘গ্রেট ডিপ্রেশন’। তখন মানুষ সস্তায় বিনোদনের খোঁজে ছিল, আর সিনেমা ছিল সবচেয়ে সহজ বিকল্প। অন্যদিকে পপকর্ন ছিল খুবই সস্তা ও সহজলভ্য। দর্শকেরা নিজে পপকর্ন বানিয়ে হলে নিয়ে যেতেন। কিছুদিন পর হলমালিকরা বুঝলেন, এটি বিক্রি করে বাড়তি আয় করা যায়। সেখান থেকেই সিনেমা হলে পপকর্ন বিক্রি শুরু এবং ধীরে ধীরে তা রীতিতে পরিণত হয়। পপকর্নের গন্ধ ও স্বাদও এর জনপ্রিয়তার বড় কারণ। গরম পপকর্নের মাখনের ঘ্রাণ হলে ছড়িয়ে পড়লে আনন্দদায়ক এক পরিবেশ তৈরি হয়। এছাড়া এটি হালকা, হাতে খাওয়ার সহজ খাবার—সিনেমার সময় চোখ না সরিয়েও খাওয়া যায় সহজে।  চিবোনোর শব্দ, লবণ-মাখনের স্বাদ আর সিনেমার উত্তেজনা মিলিয়ে এক অনন্য আনন্দ সৃষ্টি করে। জানা যায়, ঊনবিংশ শতকের শুরুর দিকেই আমেরিকাজুড়ে পপকর্ন বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে তখন কিন্তু সবাই একে আজকের নামে চিনত না। সেই সময় মজার এই খাবারটি পার্ল মানে ‘মুক্তা’ অথবা ‘ননপ্যারিল’ নামে বিক্রি হতো। অর্থাৎ পপকর্নের তখন দুটি সুন্দর নাম ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষের মুখে মুখে এর পপকর্ন শব্দটি ব্যবহার হতে থাকে। অবশেষে ১৮৪৮ সালের মধ্যে ‘পপকর্ন’ শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ডিকশনারি অব আমেরিকানিজমে জায়গা করে নেয়। সেই থেকেই এই মজার খাবারটি পপকর্ন নামটি পেয়ে যায়। আর পপকর্নের জনপ্রিয়তার পেছনে একজন মানুষের হাত ছিল, যার নাম চার্লস ক্রিয়েটরস। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের এক মিষ্টির দোকানের মালিক। চার্লস ক্রিয়েটরস তাঁর দোকানে চিনাবাদাম ভাজার জন্য একটি বাষ্পচালিত মেশিন তৈরি করেছিলেন। পরে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে তিনি সেই মেশিনটিকে পাল্টে এমন এক মেশিন তৈরি করলেন, যা খুব দ্রুত দারুণ পপকর্ন তৈরি করতো ।তখন খেলাধুলার মাঠ কিংবা সিনেমা হলের মতো যেখানেই প্রচুর ভিড় জমত, সেখানেই চার্লস ক্রিয়েটরসের পপকর্ন মেশিন দেখা যেতে শুরু করল। পপকর্নের জনপ্রিয়তার পেছনে শুধু সুস্বাদু স্বাদই ছিল, এমনটা নয় বরং তখন এটি তৈরি হতে দেখাটাও ছিল বেশ মজার । অর্থনৈতিক দিক থেকেও এটি অত্যন্ত লাভজনক। সিনেমা হলগুলোর বড় একটি আয়ের উৎস এখন পপকর্ন বিক্রি। এক ব্যাগ পপকর্ন তৈরিতে খরচ সামান্য হলেও বিক্রিমূল্য কয়েকগুণ বেশি—ফলে ব্যবসার জন্য এটি আদর্শ। হলমালিকেরা সিনেমার টিকিট বিক্রি করে যে লাভ হয়, তার চেয়েও বেশি মুনাফা আসছে পপকর্ন বিক্রি করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিশ্বের সব সিনেমা হল ধীরে ধীরে এই পপকর্ন বিক্রি শুরু করে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত জনপ্রিয়তা একটুও কমতে দেয়নি পপকর্ন।  আজ সিনেমা ও পপকর্ন একে অপরের পরিপূরক। সিনেমা হল হোক বা বাড়ির টেলিভিশন, হাতে এক বাটি পপকর্ন থাকলেই মনে হয় যেন  বিনোদন পূর্ণতা পেল!
বন্ধুকে টাকা ফেরত দেওয়ার দিন আজ
বন্ধুকে টাকা ফেরত দেওয়ার দিন আজ
পৃথিবীতে কতো রকম দিবসই না রয়েছে। এর মধ্যে যেমন আছে গুরুত্বপূর্ণ দিবস, পাশাপাশি কিছু মজার দিবসও রয়েছে। আজ ১৭ অক্টোবর তেমনই একটি দিবস। আজ ‘ন্যাশনাল পে ব্যাক এ ফ্রেন্ড’ বা বন্ধুকে টাকা ফেরতের দিন। আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয়ে থাকে দিবসটি। দিনটিকে বন্ধু দিবসও বলেন আমেরিকানরা। মূলত ব্যাংক অব আমেরিকা ১৭ অক্টোবরকে বন্ধুর ধারের টাকা ফেরত দেওয়ার দিন হিসেবে উদযাপন করার প্রথম উদ্যোগ নেয়। প্রিয় বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার নেন না এমন মানুষ কমই আছেন। তবে বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে যদি তা ফেরত না দেওয়া হয় তখন এই সুন্দর সম্পর্কটা মলিন হয়ে যায়। এমন অনেকেই রয়েছেন যে সময় মতো ধারের টাকা পরিশোধ না করায় বন্ধুত্বের মধ্যে দূরত্ব বা ভুল-বোঝাবুঝির তৈরি হয়েছে। আবার দেখা যায় ছোটবেলায় বা বড় হওয়ার পর বন্ধুর কাছ থেকে হয়তো কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন কিন্তু তা শোধ দেওয়ার আগেই বন্ধুত্ব ভেঙে গেছে। সেই টাকা আর শোধ করা হয়নি। তাহলে আজ কিন্তু শোধ করে দিতে পারেন। জীবনে যত বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার করেছিলেন তাদের সবার টাকা শোধ করে দিন। কারণ আজ পে ব্যাক অ্যা ফ্রেন্ড ডে। ব্যাংক অব আমেরিকা এটিকে মূলত তাদের মুনাফা লাভের একটি পদ্ধতি হিসেবেই নিয়েছিল। তাদের পরিকল্পনাও কাজে দিয়েছে বেশ ভালোভাবেই। আমেরিকায় এদিনে টাকা পাঠানোর জন্য একাধিক অনলাইন অ্যাপ রয়েছে। যেগুলোতে হাজার হাজার ডলার বিনিময় হয় এই দিবসে।
প্রতিবাদ জানাতে ডিম ছোড়া হয় কেন?
প্রতিবাদ জানাতে ডিম ছোড়া হয় কেন?
ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলিয়ে দেখা যায়, নানা সময় ভিন্ন ভিন্ন কারণে রাজনীতিবিদদের দিকে ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে মানুষ ডিম ছুড়ে মেরেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও ডিম ছোড়ার প্রবণতা দেখা যায়। হাঁস বা মুরগির ডিম খাওয়ার টেবিলের একটি সাধারণ খাবার হলেও রাজনীতি ও প্রতিবাদের মঞ্চে প্রতীকী অস্ত্র হিসেবে এটির বেশ পরিচিতি রয়েছে। অভিযোগভিত্তিক বিক্ষোভে, দলীয় বিরোধী শক্তির প্রতি ক্ষোভ দেখাতে বা আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের উপর প্রতিবাদ জানাতে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা বার বার ঘটছে। মধ্যযুগে বন্দিদের ওপর জনসম্মুখে ডিম নিক্ষেপ করা হতো বলে লোকমুখে জানা যায়; লিখিত সূত্রে ডিম নিক্ষেপের প্রথম কাহিনি পাওয়া যায় ১৮শ শতকের গোড়ায়। ১৮০০ দশকের সময় আয়েল অফ ম্যান দ্বীপে মেথোডিস্টদের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা নথিভুক্ত আছে। আর ১৮৩৪ সালে মার্কিন শহর কনকোর্ডে দাসত্ববিরোধী বক্তা জর্জ হোয়াইটারকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছিল।   এই বিষয়ে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি’র রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু গেলম্যান বলেন, প্রতিবাদ করতে গিয়ে খাবার ছুড়ে মারার কারণ হতে পারে- এটা সস্তা, সহজলভ্য এবং দৃশ্যমান। খাদ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোনাপিটিট ডটকম-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি ব্যাখ্যা করেন, “টমেটো হালকা, নিক্ষেপ করা সহজ, দামও কম। ছুড়ে মারার পর ফেটে গেলে এক ধরনের আত্মতৃপ্তি জাগায়। ডিমের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই; ফেটে গিয়ে বিচ্ছিরি পরিস্থিতি তৈরি করে। খাবার ছুড়ে মারাকে সাধারণত অহিংস প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়। যেমন- পুলিশের দিকে ঢিল ছুড়লে, তারা গুলি করতেও পারে। তবে ডিম বা টমেটো মারলে গুলি করাটা পুলিশদেরকে ‘ফুলিশ’ হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে। তাই আমার মনে হয় এই খাবার ছুড়ে মারার একটা প্রতীকী মূল্য রয়েছে।”   খুব পেছনে না তাকিয়ে ২০০১ সালে ব্রিটেনের ঘটনা দেখা যায়, যেখানে উপ-প্রধানমন্ত্রী জন প্রেসকটকে একজন তরুণ কৃষক ডিম নিক্ষেপ করলে প্রেসকট নিজেই ঘুষি মেরে প্রতিক্রিয়া দেখান। মুহূর্তটির ছবি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং ডিম ছোড়ার রাজনীতি নিয়ে আলোচনার জন্ম দেয়। ২০১১ সালে আফগানি বিক্ষোভকারীরা জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানি কন্স্যুলেটদের দিকে ডিম নিক্ষেপ করে। ২০১৩ সালে লন্ডনে একদল বিক্ষোভকারী, প্রয়াত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের কফিন ডিম দিয়ে পরিপূর্ণ করার হুমকি দেয়। যদিও অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়াতে চরম নিরাপত্তার কারণে সেটা তারা করতে পারেনি।   সম্প্রতি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে বহনকারী প্রিজন ভ্যানে ডিম ছুড়ে মারেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা। ডিম ফেটে গাড়ির সামনের কাচ ঘোলা হয়ে যায়।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উদ্যোগে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা / ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উদ্যোগে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল
তারেক রহমানের দেশে ফেরা আটকে আছে কোথায়?
তারেক রহমানের দেশে ফেরা আটকে আছে কোথায়?
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত: রিজভী
বিদেশ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি / খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত: রিজভী
তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া
তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
অনুসন্ধান

‎লক্ষ্মীপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া

‎বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দীর্ঘ নেক হায়াত কামনায় লক্ষ্মীপুরে বিশেষ দোয়া-মুনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। ‎রোববার (৩০ ডিসেম্বর) বাদ এশার নামাজের পর পৌরসভার (৯নং ওয়ার্ড) মনির উদ্দিন পাটোয়ারী জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পড়ান মনির উদ্দিন পাটোয়ারী জামে মসজিদের খতিব (হাফেজ) মো. আকরাম। ‎এতে উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুরের বিএনপি নেতা বাবুল হাজ্বী, যুবদল নেতা মো. ইব্রাহিম, মো. মামুন হোসেন, বেল্লাল পাটোয়ারী, মীর রুবেল, ইউসুফ পাটোয়ারী ও ছাত্রদল নেতা মো. মানিক হোসেনসহ সাধারণ মুসুল্লিরা। ‎প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ২৭ নভেম্বর দুপুরে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, বয়সজনিত কারণে সুস্থ হতে সময় লাগছে। সিসিইউতে নেওয়ার পর বেশ কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। লন্ডন থেকে ডা. জুবাইদা রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরাও ভার্চুয়ালি বোর্ডের আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। ‎প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

এনইআইআর সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন সিলেটের স্মার্টফোন ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীরা। রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় মানববন্ধন করেন সকল স্তরের মোবাইল ব্যবসায়ীরা। এতে বিভাগের সকল জেলার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান তারা। বক্তারা বলেন, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে লাখো ব্যবসায়ী ও পরিবার। তবে নতুন এই নিয়মের ফলে একটি গোষ্ঠী লাভবান হবে। বাড়তি করের কারণে মোবাইলের দাম বেড়ে যাবে। নিয়ম চালুর আগের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে। এদিকে, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বরের পর বিক্রি হওয়া বা নেটওয়ার্কে চালু হওয়া সব আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে এনইআইআর চালুর আগের দিন পর্যন্ত নেটওয়ার্কে যেসব ফোন রয়েছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে; কোনো মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না।

নারায়ণগঞ্জে বাউলদের কর্মসূচিতে বাধা, ব্যানার ছিঁড়ায় যুবক আটক

নারায়ণগঞ্জে কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশকালে এঘটনা ঘটে। আটককৃত যুবকের নাম সানি ইসলাম (২২)। সে ময়মনসিংহের সাইদুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পরপর শহীদ মিনার এলাকা ঘিরে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন এবং ভাসমান হকারদের সরিয়ে দেয়া হয়। বিকেল সোয়া চারটার দিকে শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ জেলা বাউল শিল্পী ও আশেকানদের আয়োজনে মাজারে হামলা ও বাউলদের উপর হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা রফিউর রাব্বি, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ, সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, জেলা সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, বাউল শিল্পী ইউনূস ভান্ডারী, চান মিয়া, ফকির শাহ জালাল প্রমুখ। ওসি নাছির আহমদ বলেন, সংঘাতের আশঙ্কা থাকায় ফোর্স নিয়ে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত আছেন তারা। এছাড়াও র‌্যাব ১১ এর সদস্যদেরকে সমাবেশস্থলে নিরাপত্তার স্বার্থে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জে বাউলদের কর্মসূচিতে বাধা, ব্যানার ছিঁড়ায় যুবক আটক

ফেসবুক লাইভে কৃষক হত্যা / চার্জশিটে অনিয়মসহ নানা অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুরে ফেসবুকে লাইভ করে কৃষক হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মামলা হলেও চার্জশিট দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে নিহত কৃষক মাহফুজুলের পরিবার এ এমন অভিযোগ আনে। অভিযোগমতে, মামলার চার্জশিট থেকে অন্যায়ভাবে আসামিদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। বিএনপি নেতা রেজানুল হকের ভাই এ.জেড.এম মিনহাজুল হক, তার সহযোগী আব্দুল মোমিন ওরফে গেদু এবং আবু বক্কর সিদ্দিকের সংশ্লিষ্টতা থাকা সত্ত্বেও তদন্তে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এছাড়া রিকশাচালককে হত্যা করা হয়েছে ক্যাসিনো সম্রাট চক্রের মূল হোতা সেচ্ছাসেবক দলের নেতা সিয়ামের নির্দেশে। সিয়ামও বিএনপি নেতা রেজানুল হক ও তার ভাই মিনহাজুল হকের ঘনিষ্ঠ হওয়া ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় বলে অভিযোগ করে নিহত কৃষক মাহফুজুরের পরিবার। লিখিত বক্তব্যে পুত্র সজীব ইসলাম বলেন, তাদের জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ছিল প্রকাশ্যে ফেসবুকে লাইভে তার বাবাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের ১১ দিন পার হলেও কোনো থানা-ই মামলা গ্রহণ করেনি। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর পুলিশ বাধ্য হয়ে মামলা গ্রহণ করে। তিনি বলেন, “আপনাদের সংবাদ না হলে আজও হয়তো মামলা হতো না। আমরা আপনাদের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ।” সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে হক চক্রের অবৈধ প্রভাব, রাজনৈতিক দৌরাত্ম্য এবং ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। এ চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন এ.জেড.এম মিনহাজুল হক, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আব্দুল মোমিন ওরফে গেদু, আবু বক্কর সিদ্দিক এবং রাজনৈতিক প্রশ্রয়দাতা এ.জেড.এম রেজওয়ানুল হক। পরিবার দাবি করে, টেন্ডার, রেলওয়ের জমি দখল, বনায়ন, পাথর খনি–সব জায়গায় এই চক্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কৃষক মাহফুজুল এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও থানায় অভিযোগ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সজীব অভিযোগ করেন, মামলা হওয়ার পর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সাজানো চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১ এবং ২ নম্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের নাম বাদ রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মধ্যপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি উজ্জ্বল, পার্বতীপুর থানার ওসি আব্দুল মামুন এবং হক চক্রের প্রভাবশালীরা যোগসাজশে এই চার্জশিট তৈরি করেছেন। পরিবার ইতোমধ্যে আদালতে চার্জশিটের বিরুদ্ধে না-রাজি আবেদন করেছে। দিনাজপুরের নবাগত পুলিশ সুপার জিদান আল মুসারের প্রতি আস্থা জানিয়ে পরিবারটি বলেন, তারা বিশ্বাস করেন একজন ন্যায়পরায়ণ কর্মকর্তা হিসেবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। একইসঙ্গে তারা পুলিশের আইজি ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক, যাতে আসামিরা আইনের আওতায় আসে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। সজীব বলেন, “আমাদের বিশ্বাস, সঠিক তদন্ত ছাড়া আমাদের পরিবারের সাথে এই অন্যায় রুখে দেওয়া সম্ভব নয়।” শেষ মুহূর্তে নিহতের স্ত্রী সঞ্জু আরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমরা এই চক্রের কাছে জিম্মি নই; আমরা রাষ্ট্রের কাছে আশ্রয় চাই। আমাদের রক্ষা করুন, আমার স্বামীর হত্যার বিচার নিশ্চিত করুন। আগামী ১ ডিসেম্বর আসামিরা জামিন নিতে আসবে—আমরা চাই, জনগণ জানুক হত্যাকারীরা যেন জামিন না পায়।”
৭ ঘণ্টা আগে
চার্জশিটে অনিয়মসহ নানা অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নাগরপুরে মেডিকেল টেকনলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্ম বিরতি 

টাঙ্গাইলের নাগরপুর সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরতি পালন করেছে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী সকল ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্টগণ। আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সকাল ১১ টা পর্যন্ত নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী কর্মচারীরা এ কর্মবিরতি পালন করেন। এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাকটিস টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্টগন। বক্তারা বলেন, “আমরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আগামী রবিবার ২ ঘন্টা, বুধবার অর্ধদিবস এবং বৃহস্পতিবার পূর্ণ কর্মদিবস কর্মবিরতি পালন করব।”
৭ ঘণ্টা আগে
নাগরপুরে মেডিকেল টেকনলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্ম বিরতি 

চট্টগ্রাম কক্সবাজার ব্লকেড প্রত্যাহার

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেইনে উন্নীতকরণের দাবিতে করা সড়ক ব্লকেড কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনকারীরা। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে তারা কক্সবাজারের চকরিয়া মাতামুহুরি ব্রীজের উপর অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করেন। সড়কে তাদের অবস্থানের কারনে যান চলাচল বন্ধ ছিলো ঘন্টাখানেক সময়। পরে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেন। এতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, সরকার চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহা সড়ক ৬ লেইন উন্নীত করার সম্ভাব্য কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে। আশা করছি দ্রুত সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কক্সবাজার ব্লকেড প্রত্যাহার

টঙ্গীবাড়ীতে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি রৌপ্যকাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শহীদ জিয়া স্মৃতি রৌপ্যকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নে ভোরন্ডা গ্রামে ‘ভোরন্ডা তরুন সংঘ’ ক্লাব এ আয়োজন করে। ফাইনাল ম্যাচে ভোরন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মুখোমুখি হয় বালিগাঁও একাদশ বনাম গোয়ারা যুব সংগঠন ক্লাব। খেলায় নির্ধারিত সময়ে ০-১ গোলে বালিগাঁও একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন গোয়ারা যুব সংগঠন ক্লাব। প্রায় ২ মাস আগে এই টুর্নামেন্টের খেলা শুরু হয়। এতে মোট ৩২ টি দল অংশগ্রহণ করে। নকআউট পর্বের খেলায় ২ টি দলের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন দোলন, লৌহজং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদার, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন মোল্লা, বিশিষ্ট সমাজসেবক আহসান উল্লাহ শিকদার সহ এলাকার আরোও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রবাসী জহিরুল ইসলাম আশিক।
৯ ঘণ্টা আগে
টঙ্গীবাড়ীতে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি রৌপ্যকাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

ভারত থেকে আমদানির শেষদিন / বিপুল চাল আমদানির ফলে দেশে দাম ছিল স্থিতিশীল

দেশের দ্বিতীয় স্থলবন্দর দিনাজপুরের হিলি দিয়ে গত চার মাসে প্রায় দুই লাখ ২৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। ৬ হাজার ১৮০টি ভারতীয় ট্রাকের মাধ্যমে এসব সেদ্ধ ও আতপ চাল দেশে আমদানি করা হয়। রবিবার (৩০ নভেম্বর) ভারত থেকে চাল আমদানির সময়সীমা শেষ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. তারেক আজিজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি হওয়ায় দেশের বাজারে এবার চালের দাম নিয়ে কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার হিলি স্থলবন্দরের চালের মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা ভারতীয় স্বর্ণা-৫ জাতের চাল ৪৭-৪৮ টাকা এবং শম্পা জাতের চাল ৬১-৬৪ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। হিলির খুচরা বাজারে আমদানি করা ভারতীয় স্বর্ণা-৫ জাতের চাল ৪৮-৫০ টাকায় এবং শম্পা জাতের চাল ৬৬-৬৮ টাকা দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশীয় স্বর্ণা-জাতের নতুন ধানের চাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪৭-৪৮ টাকা কেজিতে। এখনও পুরোপুরি আমন ধানের চাল বাজারে আসেনি। হিলি বাজারের খুচরা চাল বিক্রেতা পলাশ কুমার বসাক বলেন, “ভারত থেকে চাল আমদানি হওয়ার পর থেকে চালের দাম কমে এসেছে। সব ধরণের চাল প্রতি কেজিতে অন্তত ৩-৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি হওয়ার আগে চালের দাম বেশি ছিল। নতুন ধানের চাল বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম আরও কমে আসবে। তাতে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করতে হবে না।” হিলি বন্দরের প্রসিদ্ধ চাল আমদানিকারক শাহীনুর ইসলাম বলেন, “সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা আমদানিকারকরা ভারত থেকে চাল আমদানি অব্যাহত রেখেছি। দেশে চালের দাম যেন বৃদ্ধি না পায় সেজন্য আমদানি করে বাজার স্বাভাবিক রাখতে সেই প্রচেষ্টা আমরা করছি। আমদানিকৃত চাল বিক্রিতে অনেক সময় আমাদের লোকসানও গুনতে হয়েছে। বর্তমানে দেশে চালের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মাঝে কোনো অস্থিরতা তৈরি হয়নি।” হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি বছরের ১২ আগস্ট থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ১৮০টি ভারতীয় ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ ২৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন সেদ্ধ ও আতপ চাল দেশে আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে আতপ চালের পরিমাণ দুই হাজার মেট্রিক টনের কম। বর্তমানে এই বন্দরের মাধ্যমে দেশে চাল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা (আর ও) মো. তারেক আজিজ বলেন, “দেশে চালের দাম সহনীয় রাখতে সরকার আমদানি করার অনুমতি দেয়। ফলে ১২ আগস্ট থেকে দেশে চাল আমদানি হচ্ছে। এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসব চাল আমদানি করা হচ্ছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চাল আমদানির সময়সীমা রয়েছে। এরপর সরকার অনুমতি না দিলে চাল আমদানি বন্ধ থাকবে। তবে এখনও পর্যন্ত এই সংক্রান্ত কোনো চিঠি আমাদের কাছে আসেনি।” তিনি বলেন, “চাল আমদানি শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমরা দ্রুততার সঙ্গে শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ছাড়করণে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছি। যাতে করে আমদানির পর ব্যবসায়ীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজারে চাল সরবরাহ করতে পারেন। চাল আমদানিতে শুল্ক নেই। তবে দুই শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি) দিয়ে ব্যবসায়ীরা বন্দরের কাস্টমস থেকে এসব চালের চালান খালাস করতে পারছেন।”
১১ ঘণ্টা আগে
বিপুল চাল আমদানির ফলে দেশে দাম ছিল স্থিতিশীল
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৪
ইন্দোনেশিয়া-থাইল্যান্ডে মৃতের সংখ্যা ৪৫০ ছাড়াল
ঘূর্ণিঝড়-বন্যা-ভূমিধস / ইন্দোনেশিয়া-থাইল্যান্ডে মৃতের সংখ্যা ৪৫০ ছাড়াল
রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা। সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করেছে। ফলে নাসিক থেকে ১৬ রুপি কেজি দরে কিনে পরিবহনসহ ২২ রুপি খরচ করে সীমান্তে আনা সেই পেঁয়াজ এখন মাত্র ২ রুপি কেজিতে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে দেখা যায়, ৫০ কেজির বস্তা মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মালদহের স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০–২২ রুপি। মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে সীমান্তে সেই পেঁয়াজ ২ রুপিতে কিনতে পারায় ক্রেতারা ছুটে আসছেন, কিন্তু এটি রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ হঠাৎ আমদানি বন্ধ করে দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। জানা যায়, দু’মাস আগেও বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি স্বাভাবিক ছিল। সেসময় পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার মাহদিপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক পেঁয়াজ যেতো বাংলাদেশে। সেই আশায় মালদহ জেলার মাহদিপুর ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির ব্যবসায়ীরা। রপ্তানিকারকদের দাবি, বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে অন্তত ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত করা হয়েছিল। শুধু মাহাদিপুরেই ছিল প্রায় ২০ হাজার টন। যদি রপ্তানি স্বাভাবিক থাকত, তবে কেজিতে ৩০–৩২ রুপি দরে বিক্রি করে ৮–১০ রুপি লাভ হতো। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। ক্ষতি কমাতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হচ্ছে। ব্যবসায়ী সাজিরুল শেখ বলেন, ‘২২ রুপি কেজি দরে নাসিক ও ইন্দোর থেকে পেঁয়াজ এনেছিলাম। এখন পচা শুরু করায় বাধ্য হয়ে ২, ৬ বা ১০ রুপিতে বিক্রি দিচ্ছি।’ আরেক ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম জানান, ‘দুই মাস আগেও প্রতিদিন ৩০–৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে পাঠিয়েছি। এখন স্টক পচে যাওয়ায় লোকাল মার্কেটে যেটুকু দাম পাওয়া যায়, সেটাতেই বিক্রি করছি। বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা এখন পেঁয়াজ নেবে না।’ অন্যদিকে পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে তুলনামূলক কম মজুত থাকায় সেখানে বড় কোনো সংকট তৈরি হয়নি। এদিকে পানির দরে পেঁয়াজ কিনলেও ভারতীয় ভোক্তারা সন্তুষ্ট নন। মালদহের ক্রেতা খাইরুল হক বলেন, ‘রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের অবহেলায় বাজারের এই অবস্থা। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত, আর খুচরা বাজারে দাম এখনও ২০–৩০ রুপি।’ কলকাতাসহ আশপাশের শহরে এখনো তুলনামূলক ভালো মানের পেঁয়াজ ২৫–৩০ রুপি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের মতে, গুদামে থাকা স্টক বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে যেতে পারে।
কৃষ্ণসাগরে জ্বালানিবাহী জোড়া ট্যাংকারে ইউক্রেনের হামলা
কৃষ্ণসাগরে জ্বালানিবাহী জোড়া ট্যাংকারে ইউক্রেনের হামলা
ভারতের তামিলনাড়ু-অন্ধ্রপ্রদেশ-পুদুচেরিতে রেড অ্যালার্ট জারি
ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ / ভারতের তামিলনাড়ু-অন্ধ্রপ্রদেশ-পুদুচেরিতে রেড অ্যালার্ট জারি
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
দেশে ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার ডিজেল ১০২ টাকা থেকে ১০৪ টাকা, অকটেন ১২২ থেকে ১২৪ টাকা, পেট্রোল ১১৮ থেকে ১২০ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে ১১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দর ঘোষণা করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ডিসেম্বর মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার নিমিত্তে ডিজেলের বিক্রয় মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১০৪ টাকা, অকটেন ১২২ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১২৪ টাকা, পেট্রোলের মূল্য ১১৮ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১২০ টাকা এবং কেরোসিনের মূল্য ১১৪ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৬ টাকা পুনর্নির্ধারণ/সমন্বয় করা হয়েছে। যা ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
ঢাকা,সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি আলাদা হলো বিচার বিভাগ
নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি আলাদা হলো বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও কার্যকর তদারকি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের বিচার ব্যবস্থায় নতুন মাইলফলক সূচিত হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির নির্দেশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশ জারি করে। এর আগে গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। উল্লেখ্য, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিতকরণে মাননীয় প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে গত বছরের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।  প্রস্তাবে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের আলোকে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালত ও ট্রাইবুনালের ওপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে পালনের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সঙ্গে অধ্যাদেশের খসড়া, নতুন সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম এবং রুলস অব বিজনেস ও এ্যলোকেশন অব বিজনেস সংশোধনের সম্ভাব্য রূপরেখা পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ইতিবাচক সহযোগিতায় বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আজ বাস্তবরূপ নিল।
হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীরের ঢামেকে মৃত্যু
হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীরের ঢামেকে মৃত্যু
বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ (৫৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি-উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, তানভীর মাহমুদ কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার দুপুরে অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারা অধিদফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, তানভীর মাহমুদ হলমার্ক কেলেঙ্কারির মামলায় কারাভোগ করছিলেন। রাজধানীর রমনা থানার একটি মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। 
বিপিএল নিলামের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ছয় দল
বিপিএল নিলামের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ছয় দল

নারী ফুটবলারদের বেতন ১০০ ভাগ বাড়ানোর নির্দেশনা ক্রীড়া উপদেষ্টার

নারী ফুটবলারদের বেতন ১০০ ভাগ বাড়ানোর নির্দেশনা ক্রীড়া উপদেষ্টার

চট্টগ্রাম রয়েলসে নাঈম, রংপুরে লিটন

চট্টগ্রাম রয়েলসে নাঈম, রংপুরে লিটন

টিভিতে আজকের খেলা (৩০ নভেম্বর)

টিভিতে আজকের খেলা (৩০ নভেম্বর)

মেসির রেকর্ড, নতুন ইতিহাস ইন্টার মিয়ামির

দুই ম্যাচে দুটি শিরোপার লড়াই- তার প্রথমটি ইতোমধ্যে জিতে নিয়েছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এমএলএস কাপের ফাইনালে উঠেছে হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল। রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দল শুরুতে সমান তালে খেললেও গোলের সামনে ছিল পুরোপুরি মায়ামির আধিপত্য। যদিও গোল পাননি মেসি, তবে একটি অ্যাসিস্ট করেছেন। দলের বড় জয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড তাদেও আলেন্দে হ্যাটট্রিক করে রাতটিকে নিজের করে নেন তিনি। বাকি দুটি গোল করেন মাতেও সিলভেট্টি ও তেলাস্কো সেগোভিয়া। বার্সেলোনার পর মায়ামিতে মেসির পাশে খেলেছেন জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটস। তবে এমএলএস কাপের ফাইনালেই থামতে যাচ্ছে তাদের যৌথ পথচলা। মৌসুমের মাঝেই অবসরের ঘোষণা দেওয়া এই দুই স্প্যানিশ তারকার জন্য এটি হবে বিদায়ী ম্যাচ। মায়ামির প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে সান দিয়েগো এফসি ও ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের মধ্যকার ম্যাচে। ১১ মিনিটেই মেসির সেট পিস থেকে আলবা গোল করতে পারতেন, কিন্তু নিউইয়র্ক গোলরক্ষক জোয়েল রদ্রিগেজ তা ঠেকিয়ে দেন। তবে ১৪ মিনিটে আলেন্দের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। এরপর ২২ মিনিটে আলবার ক্রসে লাফিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আলেন্দে। ৩৭ মিনিটে জাস্টিন হাকের হেডে ব্যবধান কমালেও বিরতির পর আবার আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে মায়ামি। ৬৭ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে সিলভেট্টি, যা মেসির ক্যারিয়ারের ৪০৫তম অ্যাসিস্ট—একটি নতুন রেকর্ড। ৮৩ মিনিটে আলবার ব্যাকহিলে সেগোভিয়া এবং ৮৯ মিনিটে আলেন্দে হ্যাটট্রিক গোলটি করলে ৫-১ ব্যবধান নিশ্চিত হয়। মেসি যোগ দেওয়ার পর থেকে ইন্টার মায়ামির রূপ পাল্টে গেছে। ২০২৩ সালে লিগস কাপ জয়ের পর ২০২৪ মৌসুমে এমএলএস ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে সাপোর্টার্স শিল্ড জেতে দলটি। এবার প্রথমবারের মতো তারা এমএলএস কাপের ফাইনালে পৌঁছে রচনা করেছে নতুন এক ইতিহাস।
মেসির রেকর্ড, নতুন ইতিহাস ইন্টার মিয়ামির

বিপিএল নিলাম থেকে বাদ দেয়া হলো যেসব ক্রিকেটারকে

নানা বিতর্ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় বিপিএলের গত আসর সমালোচনার তুঙ্গে ছিল, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় বিতর্ক ছিল স্পট ফিক্সিং নিয়ে। এরই ধারাবাহিকতায়, আসন্ন দ্বাদশ বিপিএলে ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের খেলা হবে না বলে আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যদিও এ সংক্রান্ত স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনোও প্রকাশ করা হয়নি, তবে নিলামের ঠিক আগের দিন প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বেশ কয়েকজন পরিচিত ক্রিকেটার। রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে আজ দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বিসিবি। নিলামের এই চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়নি বেশ কিছু তারকা ক্রিকেটারের। এদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত দুই নাম হলো এনামুল হক বিজয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অতীতে তারা বিপিএলের পৃথক ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। বিপিএলের গত আসরে বিজয় দুর্বার রাজশাহী এবং মোসাদ্দেক ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন। অবশ্য এই দুই ক্রিকেটারসহ অন্যান্যদের নিলামের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করেনি বিসিবি। তবে বোর্ডের ফিক্সিং-বিরোধী কঠোর অবস্থানের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজয় ও মোসাদ্দেক ছাড়াও নিলাম থেকে বাদ পড়া অন্যান্য ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন আলাউদ্দিন বাবু, মিজানুর রহমান, নিহাদ-উজ্জামান, সানজামুল হক ও শফিউল ইসলাম। নিলামের জন্য দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকায় সবমিলিয়ে ১৫৯ জনের জায়গা হয়েছে। সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি ‘এ’-তে রয়েছেন কেবল দুজন—লিটন দাস ও নাঈম শেখ, বি’ ক্যাটাগরিতে ১২ জন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ১৭ জন, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ২৬ জন, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৩৮ জন, ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ৬৩ জন। নিলামের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দল গঠন করার ক্ষেত্রে ক্যাটাগরিভিত্তিক খেলোয়াড় কিনতে বাধ্য। প্রতিটি দলকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ন্যূনতম ২ জন, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরি থেকে ন্যূনতম ৬ জন, ‘ই’ ক্যাটাগরি থেকে ন্যূনতম ৩ জন এবং ‘এফ’ ক্যাটাগরি থেকে কমপক্ষে ১ জন ক্রিকেটার কিনতে হবে।
বিপিএল নিলাম থেকে বাদ দেয়া হলো যেসব ক্রিকেটারকে
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
লোকসান ঠেকাতে পারলেন না দীপিকা
দেব-শুভশ্রী বিতর্কে বারবার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা রুক্মিণীকে!
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আসিফের আবেগঘন পোস্ট
আলোচনায় শুভ-ঐশীর অন্তরঙ্গ ছবি
নতুন ‘দ্য এক্সরসিস্ট’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন স্কারলেট জোহানসন
‘ধন্যবাদ’ বলতে শিখুন
‘ধন্যবাদ’ বলতে শিখুন
সম্পর্কে সুখ আর স্বস্তি কখনোই শুধু বড় আয়োজনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না। বরং ছোট ছোট যত্ন, দৈনন্দিন আচরণ আর ছোট ছোট ধন্যবাদ — এসবই আসলে সম্পর্কের মধ্যে কেয়ার আর কৃতজ্ঞতাকে বাঁচিয়ে রাখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃতজ্ঞতা এমন এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক শক্তি, যা দাম্পত্য সম্পর্কে নিরাপত্তা ও ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়। আমাদের সমাজে সঙ্গীর কঠোর পরিশ্রম, রান্নাবানা, ঘর সামলানো বা বাইরে সারাদিনের দৌড়ঝাঁপ — সবই খুব ‘স্বাভাবিক’ বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু এই স্বাভাবিকতার ভিড়েই একটু স্বীকৃতি, সামান্য ধন্যবাদ এবং কয়েক সেকেন্ডের হাসি অনেকটা জাদুর মতো কাজ করে। কেন ধন্যবাদ এত গুরুত্বপূর্ণ? মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সম্পর্কের সবচেয়ে বড় চাহিদা হলো স্বীকৃতি পাওয়া। যখন একজন সঙ্গী অন্যজনের কাজে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তখন মস্তিষ্কে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মাত্রা বাড়ে। এগুলোই ‘বন্ডিং হরমোন’, যা সম্পর্ককে আরও নিরাপদ ও উষ্ণ রাখে। এটাকে বলা যেতে পারে একটি ছোট বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি রিটার্ন। কারণ ধন্যবাদ শুনলে মানুষ স্বভাবতই আরও সহযোগী, মনোযোগী এবং ইতিবাচক হয়ে ওঠে। কর্পোরেট ভাষায় বললে, এটা হলো রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্টের হাই-ইমপ্যাক্ট, লো-এফোর্ট স্ট্রাটেজি। ছোট ছোট ধন্যবাদ—বড় পরিবর্তন ১. দুইজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি কমে স্বীকৃতি পাওয়া মানুষকে শান্ত করে। তাই ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝিও সহজে মেটে। ২. মানসিক চাপ কমে সারাদিনের ব্যস্ততার ভিড়ে একটি ধন্যবাদ মানসিকভাবে সঙ্গীকে হালকা করে দেয়। ৩. ইমোশনাল কানেকশন শক্ত হয় এগুলো সম্পর্কের ভরসা বাড়ায়। দুজনেই সম্পর্কে নিজেকে নিরাপদ এবং মূল্যবান মনে করেন। ৪. নেগেটিভিটির বদলে পজিটিভিটি বাড়ে যেখানে কৃতজ্ঞতা আছে, সেখানে অভিযোগ কম হয়। ৫. টিমওয়ার্ক সহজ হয় পরিবারের কাজগুলোও তখন দায়িত্ব নয়, বরং অংশীদারিত্ব হয়ে ওঠে। তাহলে কোন ছোট ছোট বিষয়ে ধন্যবাদ বলবেন? মজাদার কোনো খাবার বা এক কাপ চা হাতে পেয়ে বলুন ‘ধন্যবাদ’। কিংবা সঙ্গী বাজার করে এলে বলুন।দিনের মধ্যে ফোনে মেসেজ করেও ধন্যবাদ দেওয়া যায় — কোনো নিয়ম নেই। কারণ এটা কোনো অভিনয় নয়। বরং সম্পর্কের প্রতি সচেতনতা ও সম্মান।  
ডেঙ্গুতে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৬৩৬, মৃত্যূ ৫  
ডেঙ্গুতে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৬৩৬, মৃত্যূ ৫  
মৃত্যুহীন একদিন পার করার পর আবারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ডেঙ্গুতে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) এডিস মশাবাহিত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। রবিবার (৩০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬৩৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১১৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে ২ ও সিলেট বিভাগে ৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৮০৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯২ হাজার ২৫ জন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৯৪ হাজার ৪০২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৮২ জনের।