
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ভারত যেহেতু বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অনুপ চেটিয়াকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের আওতায় আনতে পেরেছে সেহেতু শেখ হাসিনাকেও এই বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, রায় কার্যকর করতে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খোলাবাড়িয়া জিরো পয়েন্টে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত নিবার্চনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল হেলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাসিম উদ্দিন নাসিম, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহিন, জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন তুষার ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন প্রমুখ।
দুলু বলেন, শাসনের নামে শোষন কেউ পছন্দ করে না। শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর যেমন এ দেশে কান্নার কোন মানুষ ছিলো না তেমনি, তার মেয়ে ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ার পরও কেউ আপসোস করেনি। বরং মানুষ খুশি হয়ে মিষ্টি বিতরণ করেছে। নির্যাতিত মানুষ উল্লাস প্রকাশ করেছে। মাটিতে সিজদা দিয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করেছে।
দুলু বলেন, শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল করে ১৯৭১সালের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে যে বিচার করেছিল তাতে অসংখ্য অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ থাকলে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে সেখানে সকল নিয়ম নীতি অনুসরন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জুলাই আগষ্টের আন্দোলনে শেখ হাসিনা তার দলের লোকের পাশাপাশি দেশের প্রায় সকল বাহিনীকে ব্যবহার করে গণহত্যা চালিয়েছে। তখন হেলিকপ্টার থেকে শুরু করে সামনাসামনি গুলি করে আন্দোলনকারীদের হত্যা এবং লাশ পুড়িয়ে ফেলার মতো অপরাধও করেছে। আদালতে সব প্রমাণ হয়েছে। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
মন্তব্য করুন